ফলে বার্ষিক আয়ের পূর্বাভাস বাড়াল কোকা-কোলা। চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যের চেয়ে বেশি আয় করার পর গতকাল এ ঘোষণা দেয় বৈশ্বিক পানীয় প্রস্তুতকারক কোম্পানিটি। খবর রয়টার্স।
প্রতিষ্ঠানটি জানায়, যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে নিম্ন আয়ের ক্রেতারা অপ্রয়োজনীয় কেনাকাটা কমিয়েছে। কিন্তু দেশটিতে এর মধ্যেও কোকা-কোলা ও জিরো-সুগার সোডার চাহিদা শক্তিশালী রয়েছে। এছাড়া ফেরলাইফ ব্র্যান্ডের দুধ ও প্রসেসড চা বিক্রিতে বড় ধরনের সাফল্য দেখেছে কোম্পানিটি।
ফিফা বিশ্বকাপের অন্যতম পুরনো স্পন্সর কোকা-কোলা। ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে পরিচালিত বিপণন কার্যক্রম শেষ হয় জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে, যা কোকা-কোলা ও তাদের এনার্জি ড্রিংক ‘পাওয়ারএড’-এর বিক্রি বাড়াতে বড় ভূমিকা রাখে।
লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ গ্রুপের (এলএসইজি) তথ্যানুযায়ী, এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে কোকা-কোলার আয় ৬ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৩৩৭ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। অন্যদিকে বাজার বিশ্লেষকদের প্রত্যাশা ছিল ১ হাজার ৩১৬ কোটি ডলার।
এদিকে ইতিবাচক ফলের খবরে গতকাল বাজারে লেনদেন শুরুর আগে কোকা-কোলার শেয়ারদর ১ দশমিক ৮ শতাংশ বাড়ে। চলতি বছর এখন পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারদর প্রায় ২০ শতাংশ বেড়েছে। বিক্রির ক্ষেত্রে কোম্পানিটি অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী পেপসিকোকে পেছনে ফেলেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, পণ্যের দাম সমন্বয় করা ও সাশ্রয়ী ক্রেতাদের জন্য ছোট আকারের বোতল বা ক্যান বাজারে আনার কৌশলও কোম্পানিটির সার্বিক বিক্রি বাড়াতে সাহায্য করেছে।